কমলগঞ্জে নতুন জাতের টমেটো চাষে স্বাবলম্বী কৃষক

এস কে দাশ সুমন : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর, ঘোড়ামারা, তিলকপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে লালতীরের উদ্ভাবনী ৮৩৫২ জাতের টমেটো চাষে সাফল্য এসেছে স্থানীয় কৃষকদের। অন্যান্য ফসলের তুলনায় এর উৎপাদন স্বল্প খরচে দ্বিগুণ ফসল উৎপাদন হয়েছে ।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, গতবছর একটি গাছে যেখানে অন্যান্য বীজের টমেটো চাষে ৫ থেকে ৬ কেজি ফসল পাওয়া যেতো। সেখানে নতুন জাতের এই টমেটো চাষে ফসল হচ্ছে ৯ থেকে ১০ কেজি।

লালতীর সীড লিমিটেডের উদ্যোগে রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে কমলগঞ্জ উপজেলার উত্তর তিলকপুরের জামেরকোনায় কৃষকদের নিয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে  টমেটো চাষী আব্দুল আহাদ, মান্নান মিয়া ও সায়মন মিয়া জানান বছরব্যাপী ফসল উৎপাদনে যেমন লাভবান হবেন। কৃষক তেমনি দেশের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করে আয় হবে বৈদেশিক মুদ্রা। নতুন জাতের এই টমেটো চাষে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা। এই নতুন জাতের টমেটো সমগ্র দেশে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের পৌঁছে দিতে পারলে সাফল্য আসবে ফসল উৎপাদনে।

বক্তারা আরো বলেন লালতীরের পরীক্ষা মূলক এ জাতের ফসল দেখতে যেমন ভালো তেমনি ওজনেও হচ্ছে বেশি এবং এটি প্রায় ১২ মাসই ফল দেয়।

এব্যা পারে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াছমিন মোনালিসা মুঠোফোনে বলেন, কমলগঞ্জ উপজেলায় প্রায় দুইশো হেক্টর জমিতে সারা বছর জুড়েই টমেটো চাষ হয়। সম্প্রতি লালতীর-এর নতুন জাতের ৮৩৫২ বীজের টমেটো চাষে উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা অনেকে।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করেছেন কৃষি অফিসে, কৃষকরা বারী হাইব্রিড ৪ এবং ৮ এর তুলনায় এই নতুন জাতের টমেটো চাষে অধিক ফসল পাচ্ছেন। এই বীজ সমগ্র দেশে বিতরণ করা গেলে সারা বছরই দেশের বাজারে পাওয়া যাবে। এই ফসল তাতে ভোক্তাদের চাহিদা মিটবে। কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলবে এই ফসল।