চীন থেকে আসা পর্যটকদের ওপর বেড়েছে অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ভ্রমণকারীদের উপর আরও এক সপ্তাহের জন্য নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মরিসন সরকার নিশ্চিত করেছে যে, এটি চীন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশে আগতদের ভ্রমণ বিধি নিষেধ বাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচ টায় গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সরকার বলেছে যে, মূল ভূখন্ড চীনে ক্রমাগত করোনভাইরাস সংক্রমণের কারণে মন্ত্রিসভার জাতীয় সুরক্ষা কমিটি এই নিষেধাজ্ঞাকে অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এ সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ২০ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে আগামী ২৯ শে ফেব্রুয়ারি (শনিবার) পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে।

বিবৃতিতে মরিসন সরকার আরো বলেছেন, “অস্ট্রেলিয়ানদের সুরক্ষা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার,” আর এ কারনেই চীনের মূল ভূখন্ডে থাকা অস্ট্রেলিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা সহ বিদেশী নাগরিকরা মূল ভূখন্ড ছেড়ে যাওয়ার সময় থেকে ১৪ দিনের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

সরকার বলেছে যে, এই সিদ্ধান্তটি অস্ট্রেলিয়ান স্বাস্থ্য সুরক্ষা কমিটির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরামর্শ দ্বারা পরিচালিত ও কমনওয়েলথের প্রধান মেডিকেল অফিসার এবং প্রতিটি রাজ্য ও অঞ্চল থেকে প্রধান মেডিকেল অফিসারদের নিয়ে গঠিত কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার এমন নিষেধাজ্ঞাকে “আতঙ্ক, অতি প্রতিক্রিয়া এবং বর্ণবাদের তরঙ্গ” হিসাবে বর্ণনা করেছে চীন। চীনের করোনা ভাইরাসের মহামারী প্রভাবে অস্ট্রেলিয়াকেও প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার লোকসান গুনতে হবে এমন শঙ্কার কথা জানিয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকার বলছে, এক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে শিক্ষা ও পর্যটন খাত।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ানদের বিশ্লেষণে প্রকাশিত হয়েছে যে, দেশের শীর্ষ দশটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে পাশাপাশি হাজার হাজার চীনা শিক্ষার্থী যারা তাদের প্রথম সেমিস্টার কোর্স বাতিল করার ঝুঁকিতে রয়েছে। আর তাদের থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১.২ বিলিয়ন ডলার হারাতে পারে।

আইনিউজ/এইচএ